করোনাভাইরাস এর ভবিষ্যৎবানী ছিলো যে বইতে | দ্য আইস অব ডার্কনেস | ডি কুন্টয

173

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় আতংকের নাম করোনাভাইরাস। এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রতিটি দেশে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় সাত লক্ষ মানুষ। মারা গেছে ৩০ হাজারের বেশি। কিন্তু বন্ধুরা, তোমরা কি জানো? আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগের এক বইতে করোনাভাইরাস এর ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছিলো? হয়তো অনেকে জানো না!

করোনাভাইরাসের সাথে জড়িয়ে আছে একটি জায়গার নাম। উহান, চীনের একটি শহরের নাম। মূলত এই শহর থেকেই করোনাভাইরাসের উৎপত্তি। উহান থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে চীনের সব জায়গায়। তারপর আস্তে আস্তে ছড়িয়ে গেছে সারা বিশ্বে। তাই করোনাভাইরাসের পাশাপাশি উহান শব্দটিও মানুষের আশংকার কারণ!

বইয়ের সাথে করোনাভাইরাস এর এই ঘটনার কি মিল আছে?

যে বইটি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি তার নাম “আইস অফ দ্যা ডার্কনেস”, প্রথমবার প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৮১ সালে। লিখেছেন মার্কিন থ্রিলার লেখক ডিন কুন্টজ। বইটির মূল কাহিনী হচ্ছে ড্যানি নামের এক ছেলেকে নিয়ে। হঠাৎ করেই একদিন নিখোঁজ হয়ে যায় ড্যানি। মা ক্রিশ্চিয়া ইভানস ছেলেকে খুঁজে খুঁজে হয়রান। জানেন না ছেলে বেঁচে আছে, নাকি মারা গেছে। অনেকদিন পরে জানা গেলো, ড্যানি দুর্ঘটনাবশত মানুষের তৈরি বিষাক্ত এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আটকা পড়ে আছে চীনের এক সামরিক গবেষণাগারে। আর সেই গবেষণাগারটি কোথায় নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো। গবেষণাগার ছিলো চীনের উহান শহরে। এবং বাইরাসটির নাম ছিলো “উহান-ফোরডাবলজিরো”!

করোনাভাইরাস এর ভবিষ্যৎবানী ছিলো যে বইতে
করোনাভাইরাস এর ভবিষ্যৎবানী ছিলো যে বইতে

উপন্যাসে দেখানো হয়েছে উহান শহরের এক গবেষণাগারে একদল বিপথগামী গবেষক মিলে একটা ভাইরাস তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের উদ্দেশ্য কোনো একটি শহর বা দেশকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া। অবশেষে তারা একটি ভাইরাস আবিষ্কারে সফল হয়। এরই নাম দেওয়া হয় উহান-ফোরডাবলজিরো। আর আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে- বইতে ভাইরাস সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে, প্রায় সবই মিলে যায় বর্তমান সময়ের করোনাভাইরাসের সাথে!

করোনাভাইরাসের ভবিষৎবাণী নিয়ে আমাদের ভিডিও প্রতিবেদনটি দেখুন
করোনা ভাইরাসের ভবিষ্যৎবাণী ছিলো যে বইতে | দ্য আইস অব ডার্কনেস | ডিন কুন্টজ

বইয়ের করোনাভাইরাস এর ভবিষৎবাণী কিভাবে মিলে গেলো?

করোনাভাইরাস এর ভবিষ্যৎবানী ছিলো যে বইতে

এখন প্রশ্ন হচ্ছে চল্লিশ বছর আগে লেখা একটি বইয়ের প্লটের সাথে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট কীভাবে মিলে গেল? বইটির লেখক ডিন কুন্টযকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো। তিনিও কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এ সত্যিই এক অবিশ্বাস্য রহস্য!

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেল এ পর্যন্তই। দেশের এই পরিস্থিতিতে তোমরা সবাই অবশ্যই বাসায় থাকবে। প্রয়োজন না হলে বাইরে যাবে না। সময় না কাটলে আমাদের পুরনো পোস্টগুলো পড়তে থাকো অথবা আমাদের থ্রিলার মাস্টার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখতে পারো। ভালো থাকো সবাই।

আরও পড়ুন:

কোকাকোলা নিয়ে ৫টি ভয়ংকর তথ্য যা শুনলে পিলে চমকে যাবে আপনার!

মন্তব্য লিখুন